প্রকৃতির নির্জনতায় কখনো কখনো এমনকিছু সত্য লুকিয়ে থাকে, যা আমাদের চেনা যুক্তি বা বিজ্ঞানের সংজ্ঞায় ধরা দেয় না। সম্প্রতি গভীর জঙ্গলের এক পরিত্যক্ত পথে হাঁটতে গিয়ে আমি তেমনই এক অশরীরী উপস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম। সেই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার গল্পই আজ আপনাদের শোনাব।
আমরা অনেকেই মনে করি যা চোখে দেখি না বা যা বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না, তার কোনো অস্তিত্ব নেই। কিন্তু আমি নিজে যুক্তিবাদী হয়েও জীবনের কিছু অভিজ্ঞতায় এমন কিছু দেখেছি যা আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব জঙ্গলের এক পরিত্যক্ত পথে আমার সাম্প্রতিক এক রহস্যময় অভিজ্ঞতার কথা।
হাঁটতে হাঁটতে বনের গভীরে এমন এক পথে চলে এলাম যেখানে সূর্যের আলোও ঠিকমতো পৌঁছায় না। চারপাশটা কেমন নিঝুম হয়ে এল, মনে হচ্ছিল বাতাসের শব্দটাও কেউ কেড়ে নিয়েছে। ঠিক তখনই সামনে পড়ল পুরনো একটি ধ্বংসাবশেষ।
বিজ্ঞান হয়তো বলবে এগুলো পুরনো দালানের খসে পড়া অংশ বা বাতাসের চাপের খেলা। কিন্তু সেখানে দাঁড়িয়ে আমি যে অশরীরী উপস্থিতি অনুভব করেছি, তা কোনো যুক্তিতে ফেলা অসম্ভব। আমি নিজে কয়েকবার এমন কিছু বিভৎস খারাপ জিনিস দেখেছি যা সাধারণ মানুষের কল্পনার বাইরে। আমি কোনো আজগুবি গল্প বানাতে আসিনি, বরং বাস্তব অনুভূতির কথাই বলছি।
জীর্ণ দেওয়ালগুলো যেন কোনো এক হারানো সময়ের সাক্ষী।পৃথিবীতে এমন অনেক শক্তি আছে যা আমাদের চেনা বিজ্ঞানের সংজ্ঞায় এখনো ধরা পড়েনি। ভয় পাওয়া আমার স্বভাবে নেই, তাই আমি দাঁড়িয়ে এই রহস্য বোঝার চেষ্টা করেছি। এই জরাজীর্ণ কটেজ আর তার চারপাশের ঘন বন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মানুষের জ্ঞানের বাইরেও এক বিশাল জগত বিদ্যমান।




Comments
Post a Comment